Saturday, March 21, 2015

প্রাথমিক কথা

এই লেখাটি শুধু তাদের জন্য- যারা শেয়ার ক্যাশ-এ সাইন আপ করেছেন (যারা সাইন আপ করেননি এখনো তারা আমার এই লেখাটা আগে পড়ে আসুন: পে পার ডাউনলোড মাধ্যমে প্রতিদিন আয় করুন ২৫ থেকে ২৫০ ডলার… আমি আয় করছি আপনিও পারবেন) কিন্তু কাজ করতে পারছেন না কিংবা ফাইল ডাউনলোড করতে প্রবলেম হচ্ছে বা অন্য কোনো সমস্যা। আপনাদের এই সম্যাগুলো দূর করার জন্যই আজকের এই লেখা। আশা করি এই লেখাটি পড়ার পর শেয়ার ক্যাশ সংক্রান্ত আপনাদের সব সমস্যা দূর হবে। তো চলুন জানা যাক শেয়ার ক্যাশ হিডেন ট্রিকসগুলো। যা কাজে লাগিয়ে আমরা খুব সহজেই অন্তত প্রতিদিন যেন ১০ ডলার ইনকাম করতে পারি শুরুতে সেটা শিখি।

কেন আপনারা শেয়ার ক্যাশ-এ সফল নন?

হ্যাঁ, প্রথমে এটা আলোচনা করা যাক যে, কেন আপনারা শেয়ার ক্যাশ-এ সফল হতে পারছেন না। আপনাদের ভুলগুলো যদি ধরতে পারেন তাহলে সেগুলো সংশোধন করতে সুবিধা হবে। আপনাদের বিভিন্ন জনের সাথে কথা বলে আমার কাছে যে ব্যাপারগুলো প্রতীয়মান হয়েছে সেগুলো হচ্ছে-
  1. নিজেই নিজের ফাইল ডাউনলোড করার চেষ্টা করছেন, ফলে নিজের একাউন্ট ব্লাক লিস্টেড হচ্ছে।
  2. বাংলাদেশের বন্ধুদের কাছে লিংক দিচ্ছেন ডাউনলোড করার জন্য। ভাবটা এমন: ওরা ডাউনলোড করবে আর আপনি ডলার গুনতে থাকবেন।
  3. বিভিন্ন জনকে লিংক সরবরাহ করছেন এবং কেন ওরা ডাউনলোড করছে না তাই হতাশ হচ্ছেন, রেগে যাচ্ছেন।
  4. ১/২ দিন কাজ করার পরই হতাশ হয়ে যাচ্ছেন। ভাবছেন শেয়ার ক্যাশ একটা ফালতু পদ্ধতি। এটা কাজ করে না।
  5. কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই কাজ করছেন। ঠিক কত টাকা কীভাবে ইনকাম করবেন কিছুই জানেন না।
  6. কোথায় মার্কেটিং করতে হবে সেই সম্পর্কে না জেনে, না বুঝে এবং কোনোরকম চিন্তা-ভাবনা না করেই যত্রতত্র লিংক ছড়িয়ে দিচ্ছেন আর ভাবছেন কেন ডাউনলোড হচ্ছে না?
  7. এবং এরকম আরও কিছু কারণে আপনারা মোটামুটি এখন মিসগাইডেড।
তো আজকের এই লেখা মূলত উপরের এই সমস্যাগুলো সমাধান করার জন্যই। আশা করি এগুলো যদি সলিউশন করতে পারেন তাহলেই আপনি শেয়ার ক্যাশের মাধ্যমে মোটামুটি ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

শেয়ার ক্যাশ-এ কীভাবে সফল হবো?

আপনি শুনলে অবাক হবেন, শেয়ার ক্যাশে সফলতা পাওয়া সত্যিই সহজ কাজ। এতোটা সহজ যা আপনি ভাবতেও পারবেন না। এবং সগুলোই লিগ্যাল ওয়েতে। কোনোরকম স্প্যামিং করতে হবে না, কিছু না। তবু স্মার্ট এমাউন্ট ইনকাম করতে পারবেন।
কীভাবে?
এভাবে- নিজের উপর আস্থা রেখে একাগ্রতার সাথে কাজ করে গিয়ে। একটা কথা মনে রাখবেন: অনলাইন ইনকাম কোনো শর্টকার্ট ওয়ে নয়। এখানে পরিশ্রম করে টাকা ইনকাম করতে হয়। তবে নিজের মেধা-বুদ্ধি-টেকনিক দ্বারা পরিশ্রম কমিয়ে আনা যায় খুব সহজে। সেই কাজটাই কীভাবে করতে হয় সেটা যদি জানতে পারেন তাহলে আপনার সফলতা কেউ ঠেকাতে পারবে না, ইনশাল্লাহ।

অসাধু পথে নয়, সাধু পথে আসুন…

অনলাইনে কাজ করার জন্য কখনো অসাধু পথে যাবেন না। তাহলে বেশি দূর আগাতে পারবেন না। মুখ থুবড়ে পড়ে যাবেন, ভাই। প্লিজ, এই কাজটা ভুলেও করবেন না। যারা স্প্যামিং করেন তারা কখনোই ভালো কিছু করতে পারবেন না।
সুতরাং অসাধু পথে নয়, সঠিক পথ আছে অনেক। সেগুলোর যেকোনো একটা অবলম্বন করেই আপনি মাসে পাঁচশ’ থেকে এক হাজার ডলার ইজিলি ইনকাম করতে পারেন। তাহলে কেন যাবেন অসাধু পথে?

শেয়ার ক্যাশ সাকসেসের পরীক্ষিত উপায়: শেয়ার ক্যাশ এবং ফেসবুক গ্রুপ পদ্ধতি

আপনি কোন্ ধরণের ফাইল মার্কেটিং করবেন সেটা ঠিক করুন সবার আগে। ধরুন আপনি ইবুক মার্কেটিং করবেন। এবং ইবুকগুলো হচ্ছে কীভাবে অনলাইনে আয় করবেন তার উপর। ওকে, দ্যাটস ফাইন। ২০টা সুন্দর সুন্দর এবং দরকারী অনলাইন আয়ের ইবুক অনলাইন থেকে খুঁজে ডাউনলোড করে নিজের কম্পিউটারের একটা ফোল্ডারে রাখুন। তারপর সেগুলো আপলোড করুন শেয়ার ক্যাশ-এ। শেয়ার ক্যাশ থেকে এই ২০টা ইবুকের ডাউনলোড লিংক এক এক করে নিয়ে একটা নোটপ্যাড-এ রাখুন। প্রতিটিা লিংকের পাশে বইয়ের নাম লিখে রাখুন।
শেয়ারক্যাশ লগ আউট করুন। ওটাতে আর দরকার নেই আপাতত। এবার ফেসবুক ওপেন করুন। লগিন করুন। ৫০ টা মেক মানি অলাইন (Make Money Online) গ্রুপ খুঁজে বের করে ওগুলোতে জয়েন ক্লিক করুন। এপ্রুভ হতে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা সময় লাগবে। প্রতিটা গ্রুপের লিংক আর একটা নোটপ্যাডে সংরক্ষণ করুন।
যে গ্রুপগুলোতে জয়েন করবেন সেগুলো অবশ্যই Australia, Canada, France, New Zealand, United Kingdom বা United States-এর হতে হবে। এবং সেগুলোতে যেন মিনিমাম ১৫০০-২০০০ জন মেম্বার থাকে। ৫০টা গ্রুপে জয়েনিং করার পর অপেক্ষা করুন। এডমিন এপ্রুভ করলে আপনি নোটিফিকেশন পাবেন। নোটিফিকেশন পাওয়ার পর ঐগ্রুপে যান। গ্রুপের লেখাগুলো ভালো করে পড়ুন ২/৪ ঘণ্টা সময় ব্যয় করে। দেখুন গ্রুপের মেম্বার মূলত কী চাচ্ছে? তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের গঠনমূলক উত্তর দেয়ার চেষ্টা করুন।
এভাবে ৫০টা গ্রুপে ৩/৪ দিন একটিভিটি চালান। তারপর শুরু করুন নিজের প্রয়োজনীয়তা মার্কেটিং করার। তবে ফ্ল্যাডিং করবেন না। মার্কেটিং-এর কাজটা দু’ভাবে করতে পারেন- ১. গ্রুপ পোস্ট বা ডক বানিয়ে এবং ২. গ্রুপের বিভিন্ন পোস্টে কমেন্ট করে।
১. গ্রুপ পোস্ট বা ডকস পদ্ধতি: এজন্য আপনার কাছে থাকা ২০টি ইবুক থেকে যেকোনো একটা বাছাই করুন। ঐ ইবুকটা এক নজর দেখুন। তারপর ওটার উপর ১০০-১৫০ ওয়ার্ডসের ছোট্ট একটা রিভিউ লিখুন। রিভিউতে লিখুন বইটাতে কী আছে? কেন সবার বইটা পড়া জরুরি, কী ধরণের বেনিফিট পাবে বই থেকে ইত্যাদি ইত্যাদি লেখার পর নিচে বইটার ডাউনলোড লিংক সংযোজন করুন।
দেখবেন গ্রুপে পোস্ট করার ১/২ ঘণ্টার মধ্যেই এডমিন পোস্টটা এ্রপ্রুভড করে দিয়েছে। এরকম একটি পোস্ট থেকে কী পরিমাণ ডাউনলোড পেতে পারেন জানেন? আপনার ধারণার চেয়েও বেশি। এভাবে প্রতিদিন অনন্ত ১০টা গ্রুপে ১০টা পোস্ট করুন। আর দিন শেষে লগিন করে দেখুন আপনার শেয়ার ক্যাশের আপডেট। অবাক না হয়ে পারবেন না!
২. গ্রুপের পোস্টে কমেন্ট পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে গ্রুপগুলোর বিভিন্ন পোস্টগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। দেখবেন প্রতিটা পোস্টের নিচেই অনেক কমেন্ট আছে। সেই কমেন্টগুলোতে অনেকের অনেক জিজ্ঞাসা আছে। অনেকে আরও জানতে চেয়ে কমেন্ট করেছে। এরকম কমেন্টগুলো দেখে আপনি সেগুলোর রিপ্লাই করবেন এভাবে: তুমি এই ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানতে পার এই বইটা থেকে। তারপর আপনার বইয়ের ডাউনলোড লিংক দেবেন।
এভাবে প্রতিদিন ১০০-১৫০ কমেন্ট করুন সেই ৫০ টা গ্রুপে। আর দেখুন ম্যাজিক!

শেয়ার ক্যাশ-ই প্রকৃত পিপিডি সাইট!

আমাকে অনেকেই শেয়ার ক্যাশ-এর অল্টারনেট সাইটের কথা লিখতে বলে। অনেক আছে। ইচ্ছে করলেই লিখতে পারি। কিন্তু বিশ্বাস করুন; আমার নিজের অভিজ্ঞতা বলে জানি, এরচেয়ে ট্রাস্টেড সাইট আর নেই এই ক্ষেত্রে। সুতরাং ধৈর্য ধরে সঠিক প্ল্যান দাড়া করিয়ে এখানেই লেগে থাকুন। ইনশাল্লাহ সফলতা আসবেই। অন্যান্য পিপিডি সাইটে যেখানে একটা ডাউনলোডের জন্য দিয়ে থাকে মাত্র ২৫ সেন্ট সেখানে শেয়ার ক্যাশ ৮/৯ ডলার পর্যন্ত দিয়ে থাকে। একবার আমি ফ্রান্স থেকে একটা ফাইল ডাউনলোডের জন্য পেয়েছিলাম ১১.৬১ ডলার। তাছাড়া উপরে যেসব কান্ট্রিগুলোর নাম দিয়েছি সেগুলো থেকে ডাউনলোড হলেও আপনি গড়পরতা ৩/৪ ডলার করে পাবেন প্রতি ডাউনলোডের জন্য।
সুতরাং ধৈর্য ধরে শেয়ার ক্যাশ-এ কাজ করুন। সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ।

অনুরোধ! একটি অনুরোধ…

অনুগ্রহ করে ফেসবুকে আমাকে কেউ পার্সোনালি প্রশ্ন করবেন না। যেকোনো সমস্যার জন্য নিচে কমেন্ট করুন। ইনশাল্লাহ আপনার প্রতিটা সমস্যার সমাধান দেয়ার চেষ্টা করবো। ফেসবুকে উত্তর না দিয়ে এখানে দিলে দুটো বেনিফিট- ১. আপনি আপনার সমাধান পেলেন এবং ২. অন্য আরও কেউও যদি সেইম সমস্যায় পড়ে তাহলে তিনিও উপকৃত হলেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
তো বন্ধুরা, আজ এ পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। অল দ্য বেস্ট!

শেয়ার ক্যাশ হিডেন ট্রিকস: কেন আপনি শেয়ার ক্যাশে ফেল করছেন এবং শেয়ার ক্যাশ সাকসেসের পরীক্ষিত উপায় কী?

প্রাথমিক কথা

এই লেখাটি শুধু তাদের জন্য- যারা শেয়ার ক্যাশ-এ সাইন আপ করেছেন (যারা সাইন আপ করেননি এখনো তারা আমার এই লেখাটা আগে পড়ে আসুন: পে পার ডাউনলোড মাধ্যমে প্রতিদিন আয় করুন ২৫ থেকে ২৫০ ডলার… আমি আয় করছি আপনিও পারবেন) কিন্তু কাজ করতে পারছেন না কিংবা ফাইল ডাউনলোড করতে প্রবলেম হচ্ছে বা অন্য কোনো সমস্যা। আপনাদের এই সম্যাগুলো দূর করার জন্যই আজকের এই লেখা। আশা করি এই লেখাটি পড়ার পর শেয়ার ক্যাশ সংক্রান্ত আপনাদের সব সমস্যা দূর হবে। তো চলুন জানা যাক শেয়ার ক্যাশ হিডেন ট্রিকসগুলো। যা কাজে লাগিয়ে আমরা খুব সহজেই অন্তত প্রতিদিন যেন ১০ ডলার ইনকাম করতে পারি শুরুতে সেটা শিখি।

কেন আপনারা শেয়ার ক্যাশ-এ সফল নন?

হ্যাঁ, প্রথমে এটা আলোচনা করা যাক যে, কেন আপনারা শেয়ার ক্যাশ-এ সফল হতে পারছেন না। আপনাদের ভুলগুলো যদি ধরতে পারেন তাহলে সেগুলো সংশোধন করতে সুবিধা হবে। আপনাদের বিভিন্ন জনের সাথে কথা বলে আমার কাছে যে ব্যাপারগুলো প্রতীয়মান হয়েছে সেগুলো হচ্ছে-
  1. নিজেই নিজের ফাইল ডাউনলোড করার চেষ্টা করছেন, ফলে নিজের একাউন্ট ব্লাক লিস্টেড হচ্ছে।
  2. বাংলাদেশের বন্ধুদের কাছে লিংক দিচ্ছেন ডাউনলোড করার জন্য। ভাবটা এমন: ওরা ডাউনলোড করবে আর আপনি ডলার গুনতে থাকবেন।
  3. বিভিন্ন জনকে লিংক সরবরাহ করছেন এবং কেন ওরা ডাউনলোড করছে না তাই হতাশ হচ্ছেন, রেগে যাচ্ছেন।
  4. ১/২ দিন কাজ করার পরই হতাশ হয়ে যাচ্ছেন। ভাবছেন শেয়ার ক্যাশ একটা ফালতু পদ্ধতি। এটা কাজ করে না।
  5. কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই কাজ করছেন। ঠিক কত টাকা কীভাবে ইনকাম করবেন কিছুই জানেন না।
  6. কোথায় মার্কেটিং করতে হবে সেই সম্পর্কে না জেনে, না বুঝে এবং কোনোরকম চিন্তা-ভাবনা না করেই যত্রতত্র লিংক ছড়িয়ে দিচ্ছেন আর ভাবছেন কেন ডাউনলোড হচ্ছে না?
  7. এবং এরকম আরও কিছু কারণে আপনারা মোটামুটি এখন মিসগাইডেড।
তো আজকের এই লেখা মূলত উপরের এই সমস্যাগুলো সমাধান করার জন্যই। আশা করি এগুলো যদি সলিউশন করতে পারেন তাহলেই আপনি শেয়ার ক্যাশের মাধ্যমে মোটামুটি ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

শেয়ার ক্যাশ-এ কীভাবে সফল হবো?

আপনি শুনলে অবাক হবেন, শেয়ার ক্যাশে সফলতা পাওয়া সত্যিই সহজ কাজ। এতোটা সহজ যা আপনি ভাবতেও পারবেন না। এবং সগুলোই লিগ্যাল ওয়েতে। কোনোরকম স্প্যামিং করতে হবে না, কিছু না। তবু স্মার্ট এমাউন্ট ইনকাম করতে পারবেন।
কীভাবে?
এভাবে- নিজের উপর আস্থা রেখে একাগ্রতার সাথে কাজ করে গিয়ে। একটা কথা মনে রাখবেন: অনলাইন ইনকাম কোনো শর্টকার্ট ওয়ে নয়। এখানে পরিশ্রম করে টাকা ইনকাম করতে হয়। তবে নিজের মেধা-বুদ্ধি-টেকনিক দ্বারা পরিশ্রম কমিয়ে আনা যায় খুব সহজে। সেই কাজটাই কীভাবে করতে হয় সেটা যদি জানতে পারেন তাহলে আপনার সফলতা কেউ ঠেকাতে পারবে না, ইনশাল্লাহ।

অসাধু পথে নয়, সাধু পথে আসুন…

অনলাইনে কাজ করার জন্য কখনো অসাধু পথে যাবেন না। তাহলে বেশি দূর আগাতে পারবেন না। মুখ থুবড়ে পড়ে যাবেন, ভাই। প্লিজ, এই কাজটা ভুলেও করবেন না। যারা স্প্যামিং করেন তারা কখনোই ভালো কিছু করতে পারবেন না।
সুতরাং অসাধু পথে নয়, সঠিক পথ আছে অনেক। সেগুলোর যেকোনো একটা অবলম্বন করেই আপনি মাসে পাঁচশ’ থেকে এক হাজার ডলার ইজিলি ইনকাম করতে পারেন। তাহলে কেন যাবেন অসাধু পথে?

শেয়ার ক্যাশ সাকসেসের পরীক্ষিত উপায়: শেয়ার ক্যাশ এবং ফেসবুক গ্রুপ পদ্ধতি

আপনি কোন্ ধরণের ফাইল মার্কেটিং করবেন সেটা ঠিক করুন সবার আগে। ধরুন আপনি ইবুক মার্কেটিং করবেন। এবং ইবুকগুলো হচ্ছে কীভাবে অনলাইনে আয় করবেন তার উপর। ওকে, দ্যাটস ফাইন। ২০টা সুন্দর সুন্দর এবং দরকারী অনলাইন আয়ের ইবুক অনলাইন থেকে খুঁজে ডাউনলোড করে নিজের কম্পিউটারের একটা ফোল্ডারে রাখুন। তারপর সেগুলো আপলোড করুন শেয়ার ক্যাশ-এ। শেয়ার ক্যাশ থেকে এই ২০টা ইবুকের ডাউনলোড লিংক এক এক করে নিয়ে একটা নোটপ্যাড-এ রাখুন। প্রতিটিা লিংকের পাশে বইয়ের নাম লিখে রাখুন।
শেয়ারক্যাশ লগ আউট করুন। ওটাতে আর দরকার নেই আপাতত। এবার ফেসবুক ওপেন করুন। লগিন করুন। ৫০ টা মেক মানি অলাইন (Make Money Online) গ্রুপ খুঁজে বের করে ওগুলোতে জয়েন ক্লিক করুন। এপ্রুভ হতে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা সময় লাগবে। প্রতিটা গ্রুপের লিংক আর একটা নোটপ্যাডে সংরক্ষণ করুন।
যে গ্রুপগুলোতে জয়েন করবেন সেগুলো অবশ্যই Australia, Canada, France, New Zealand, United Kingdom বা United States-এর হতে হবে। এবং সেগুলোতে যেন মিনিমাম ১৫০০-২০০০ জন মেম্বার থাকে। ৫০টা গ্রুপে জয়েনিং করার পর অপেক্ষা করুন। এডমিন এপ্রুভ করলে আপনি নোটিফিকেশন পাবেন। নোটিফিকেশন পাওয়ার পর ঐগ্রুপে যান। গ্রুপের লেখাগুলো ভালো করে পড়ুন ২/৪ ঘণ্টা সময় ব্যয় করে। দেখুন গ্রুপের মেম্বার মূলত কী চাচ্ছে? তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের গঠনমূলক উত্তর দেয়ার চেষ্টা করুন।
এভাবে ৫০টা গ্রুপে ৩/৪ দিন একটিভিটি চালান। তারপর শুরু করুন নিজের প্রয়োজনীয়তা মার্কেটিং করার। তবে ফ্ল্যাডিং করবেন না। মার্কেটিং-এর কাজটা দু’ভাবে করতে পারেন- ১. গ্রুপ পোস্ট বা ডক বানিয়ে এবং ২. গ্রুপের বিভিন্ন পোস্টে কমেন্ট করে।
১. গ্রুপ পোস্ট বা ডকস পদ্ধতি: এজন্য আপনার কাছে থাকা ২০টি ইবুক থেকে যেকোনো একটা বাছাই করুন। ঐ ইবুকটা এক নজর দেখুন। তারপর ওটার উপর ১০০-১৫০ ওয়ার্ডসের ছোট্ট একটা রিভিউ লিখুন। রিভিউতে লিখুন বইটাতে কী আছে? কেন সবার বইটা পড়া জরুরি, কী ধরণের বেনিফিট পাবে বই থেকে ইত্যাদি ইত্যাদি লেখার পর নিচে বইটার ডাউনলোড লিংক সংযোজন করুন।
দেখবেন গ্রুপে পোস্ট করার ১/২ ঘণ্টার মধ্যেই এডমিন পোস্টটা এ্রপ্রুভড করে দিয়েছে। এরকম একটি পোস্ট থেকে কী পরিমাণ ডাউনলোড পেতে পারেন জানেন? আপনার ধারণার চেয়েও বেশি। এভাবে প্রতিদিন অনন্ত ১০টা গ্রুপে ১০টা পোস্ট করুন। আর দিন শেষে লগিন করে দেখুন আপনার শেয়ার ক্যাশের আপডেট। অবাক না হয়ে পারবেন না!
২. গ্রুপের পোস্টে কমেন্ট পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে গ্রুপগুলোর বিভিন্ন পোস্টগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। দেখবেন প্রতিটা পোস্টের নিচেই অনেক কমেন্ট আছে। সেই কমেন্টগুলোতে অনেকের অনেক জিজ্ঞাসা আছে। অনেকে আরও জানতে চেয়ে কমেন্ট করেছে। এরকম কমেন্টগুলো দেখে আপনি সেগুলোর রিপ্লাই করবেন এভাবে: তুমি এই ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানতে পার এই বইটা থেকে। তারপর আপনার বইয়ের ডাউনলোড লিংক দেবেন।
এভাবে প্রতিদিন ১০০-১৫০ কমেন্ট করুন সেই ৫০ টা গ্রুপে। আর দেখুন ম্যাজিক!

শেয়ার ক্যাশ-ই প্রকৃত পিপিডি সাইট!

আমাকে অনেকেই শেয়ার ক্যাশ-এর অল্টারনেট সাইটের কথা লিখতে বলে। অনেক আছে। ইচ্ছে করলেই লিখতে পারি। কিন্তু বিশ্বাস করুন; আমার নিজের অভিজ্ঞতা বলে জানি, এরচেয়ে ট্রাস্টেড সাইট আর নেই এই ক্ষেত্রে। সুতরাং ধৈর্য ধরে সঠিক প্ল্যান দাড়া করিয়ে এখানেই লেগে থাকুন। ইনশাল্লাহ সফলতা আসবেই। অন্যান্য পিপিডি সাইটে যেখানে একটা ডাউনলোডের জন্য দিয়ে থাকে মাত্র ২৫ সেন্ট সেখানে শেয়ার ক্যাশ ৮/৯ ডলার পর্যন্ত দিয়ে থাকে। একবার আমি ফ্রান্স থেকে একটা ফাইল ডাউনলোডের জন্য পেয়েছিলাম ১১.৬১ ডলার। তাছাড়া উপরে যেসব কান্ট্রিগুলোর নাম দিয়েছি সেগুলো থেকে ডাউনলোড হলেও আপনি গড়পরতা ৩/৪ ডলার করে পাবেন প্রতি ডাউনলোডের জন্য।
সুতরাং ধৈর্য ধরে শেয়ার ক্যাশ-এ কাজ করুন। সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ।

অনুরোধ! একটি অনুরোধ…

অনুগ্রহ করে ফেসবুকে আমাকে কেউ পার্সোনালি প্রশ্ন করবেন না। যেকোনো সমস্যার জন্য নিচে কমেন্ট করুন। ইনশাল্লাহ আপনার প্রতিটা সমস্যার সমাধান দেয়ার চেষ্টা করবো। ফেসবুকে উত্তর না দিয়ে এখানে দিলে দুটো বেনিফিট- ১. আপনি আপনার সমাধান পেলেন এবং ২. অন্য আরও কেউও যদি সেইম সমস্যায় পড়ে তাহলে তিনিও উপকৃত হলেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
তো বন্ধুরা, আজ এ পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। অল দ্য বেস্ট!
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন টিপস এন্ড ট্রিকস সবারই কম বেশি জানা আছে। যদিও পরে আমরা এ ব্যাপারে বিস্তারিত লিখবো তবে এখানে হালকা একটু ধারণা দিচ্ছি।
ধরুন অনলাইন থেকে এমন একটি তথ্য আপনি চান যেটি কোথায় বা কোন ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে তা আপনার জানা নেই। তখন আপনি কী করেন? আপনি তখন সার্চ করবেন। হয় গুগল ডট কম-এ অথবা বিং ডট কম-এ অথবা ইয়াহুতে কিংবা অন্য কোনো সার্চ ইঞ্জিনে- এই তো?
আপনার যে তথ্যটা দরকার, তা ইতোমধ্যে অনেক ওয়েবসাইটে-ই রয়েছে। তাহলে গুগল, বিং বা ইয়াহু কোন সাইটটি আপনাকে দেখাবে? সেটি-ই দেখাবে যেখানে ভালো তথ্য আছে। কিন্তু ভালো তথ্য সার্চ ইঞ্জিন কীভাবে বুঝবে? যেভাবে বুঝবে তা বুঝিয়ে দেয়ার জন্য যে কাজটুকু করা হয় তাকে-ই বলা হয় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।
এখানে আমি আমার মতো করে সহজ ভাষায় বলার চেষ্টা করেছি যদিও সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আরও অনেক বিস্তৃত ব্যাপার। যাইহোক, এখানে গুগলে কীভাবে আপনার ওয়েবসাইট জমা দেবেন আরও বেশি ভিজিটর পাওয়ার জন্য তাই লিখছি সংক্ষেপে।
  • এখানে ক্লিক করুন।
  • যে পেজটি আসবে সেখানে আপনার ওয়েবসাইটের পুরো এড্রেস লিখুন ইউআরএল-এর পাশের বক্সে।
  • ক্যাপচাটি নীচের বক্সে লিখুন।
  • Submit Request-এ ক্লিক করুন।
ব্যাস, হয়ে গেলো। গুগল খুব তাড়াতাড়ি আপনার সাইটটি তাদের দখলে নিয়ে নেবে… :) এবং নিয়মিত তাদের বট আপনার সাইটে পাঠাবে। ফলে আপনার সাইট ভিজিটর পাবে আগের চেয়ে আরও অনেক বেশি।
তো আর দেরি কেন? আজ-ই আপনার সাইটটি এড করে নিন গুগলে।
আগামীতে বিং, ইয়াহু এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন সাইটে কীভাবে এড করতে হয় তা লিখবো। সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন, আনন্দে থাকুন।

খুব সহজে গুগলে এড করুন আপনার ওয়েবসাইট

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন টিপস এন্ড ট্রিকস সবারই কম বেশি জানা আছে। যদিও পরে আমরা এ ব্যাপারে বিস্তারিত লিখবো তবে এখানে হালকা একটু ধারণা দিচ্ছি।
ধরুন অনলাইন থেকে এমন একটি তথ্য আপনি চান যেটি কোথায় বা কোন ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে তা আপনার জানা নেই। তখন আপনি কী করেন? আপনি তখন সার্চ করবেন। হয় গুগল ডট কম-এ অথবা বিং ডট কম-এ অথবা ইয়াহুতে কিংবা অন্য কোনো সার্চ ইঞ্জিনে- এই তো?
আপনার যে তথ্যটা দরকার, তা ইতোমধ্যে অনেক ওয়েবসাইটে-ই রয়েছে। তাহলে গুগল, বিং বা ইয়াহু কোন সাইটটি আপনাকে দেখাবে? সেটি-ই দেখাবে যেখানে ভালো তথ্য আছে। কিন্তু ভালো তথ্য সার্চ ইঞ্জিন কীভাবে বুঝবে? যেভাবে বুঝবে তা বুঝিয়ে দেয়ার জন্য যে কাজটুকু করা হয় তাকে-ই বলা হয় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।
এখানে আমি আমার মতো করে সহজ ভাষায় বলার চেষ্টা করেছি যদিও সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আরও অনেক বিস্তৃত ব্যাপার। যাইহোক, এখানে গুগলে কীভাবে আপনার ওয়েবসাইট জমা দেবেন আরও বেশি ভিজিটর পাওয়ার জন্য তাই লিখছি সংক্ষেপে।
  • এখানে ক্লিক করুন।
  • যে পেজটি আসবে সেখানে আপনার ওয়েবসাইটের পুরো এড্রেস লিখুন ইউআরএল-এর পাশের বক্সে।
  • ক্যাপচাটি নীচের বক্সে লিখুন।
  • Submit Request-এ ক্লিক করুন।
ব্যাস, হয়ে গেলো। গুগল খুব তাড়াতাড়ি আপনার সাইটটি তাদের দখলে নিয়ে নেবে… :) এবং নিয়মিত তাদের বট আপনার সাইটে পাঠাবে। ফলে আপনার সাইট ভিজিটর পাবে আগের চেয়ে আরও অনেক বেশি।
তো আর দেরি কেন? আজ-ই আপনার সাইটটি এড করে নিন গুগলে।
আগামীতে বিং, ইয়াহু এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন সাইটে কীভাবে এড করতে হয় তা লিখবো। সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন, আনন্দে থাকুন।

কেন এই লেখা?

শুরুতে বলেছি আমি ডাটা এন্ট্রি বা ক্যাপচা এন্ট্রি’র কাজ পছন্দ করি না। তারপরও কেন এই লেখা? এই লেখা শুধুমাত্র একটা কারণেই। অনেকেই অভিযোগ করেন তিনি অনলাইনে আয় করতে পারছেন না। ব্যর্থ হচ্ছেন। কাজ পাচ্ছেন না… ইত্যাদি ইত্যাদি। শুধুমাত্র তাদের কথা বিবেচনা করেই এই লেখার অবতারণা। অনলাইনে আমি যে কয়টি নির্ভরযোগ্য ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রির ওয়েবসাইট পেয়েছি তাদের মধ্যে প্রোটাইপারস আমার কাছে সেরা মনে হয়েছে। তাই জন্যই এটা নিয়ে লিখতে বসলাম।

ক্যাপচা এন্ট্রি কী?

এটা খুবই সিম্পল একটা কাজ। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লগিন করতে গেলে দেখবেন একটা কোড আসে যেটা পাশে বা উপরের বক্সে টাইপ করে লগিন বা রেজিস্ট্রার করতে হয়। সেইটাকে বলে ক্যাপচা। এখানে আপনি যখন কাজ শুরু করবেন তখন আপনাকে এই ধরণের কাজ করতে হবে। একটা একটা করে ক্যাপচা আসবে আর আমি দেখে দেখে শুধু টাইপ করবেন আর এন্টার চাপবেন।

প্রোটাইপারস কি?

প্রোটাইপারস হচ্ছে ক্যাপচা এন্ট্রি কাজের ক্ষেত্র। এখানে রেজিস্ট্রার করে আপনি ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে পারবেন। এদের ইন্টারফেস খুবই সুন্দর এবং সহজ। এখানে সাইনআপ করতে কোনো টাকা/পয়সা লাগে না। সম্পূর্ণ ফ্রি প্রোটাইপারস রেজিস্ট্রেশন।
>> প্রোটাইপারস ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন। <<
রেজিস্ট্রেশন করার সময় আপনাকে পেমেন্ট মেথড সিলেক্ট করে দিতে হবে। এটা পরে আর চেঞ্জ করা যায় না। সুতরাং ভাবনা-চিন্তা করে এটা সিলেক্ট করবেন।

কীভাবে প্রোটাইপারসে কাজ করবো?

protypers-captue-data-entry-work
খুবই সহজ। রেজিস্ট্রেশন কমপ্লিট হয়ে গেলে লগিন করুন। তারপর “Start Working” বাটনে ক্লিক করলে নতুন একটি পেজ ওপেন হবে। নিচের স্ক্রিনশটটি দেখুন। দেখলেই বুঝতে পারবেন। ইমেজ লেখার পাশের ইমেজটি নিচের টেক্সট বক্সে দেবেন এবং এন্টার চাপবেন। প্রতিটি ক্যাপচা এন্ট্রি করার জন্য ১৫ সেকেন্ড সময় পাবেন। তবে সাধারণত ৩-৫ সেকেন্ডেই হয়ে যায়। আপনি যদি আরও দ্রুত কাজ করতে চান তাহলেও এখানে ব্যবস্থা আছে। ওদের হাইস্পিড ওয়ার্ক বেটা সংস্করণ-এ ক্লিক করলে আরও দ্রুত ক্যাপচা পাবেন যদি আপনার নেট স্পীড ভালো হয়ে থাকে।

প্রোটাইপারস পেমেন্ট কীভাবে পাবো?

প্রোটা্পারস ৫ ধরণের পেমেন্ট মেথড সাপোর্ট করে। এতো বেশি পরিমাণ পেমেন্ট মেথড আর কোনো ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রি সাইটে আছে বলে আমার জানা নেই। অন্তত আমি যখন কাজ করতাম তখনতো ছিলোই না।
এগুলো হচ্ছে- পেপাল, ওয়েবমানি, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, পারফেক্ট মানি এবং পেয়যা (এলার্টপে)। প্রতিটি পেমেন্ট মেথড নিয়ে ভবিষ্যতে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছে আছে।
যাইহোক, আপনি এই ৫টা পেমেন্ট মেথডের যেকোনো একটা ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহেই টাকা উইথড্র করতে পারেন। মিনিমাম পেআউট মাত্র ১ ডলার।

প্রোটাইপারস-এর সুবিধা

ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রির সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এখানে খুব ধীর গতিতে ক্যাপচা আসে। ফলে এক হাজার এন্ট্রি করতে অনেক সময় লেগে যায়। কিন্তু প্রোটাইপারসে এই সমস্যা একেবারেই নেই। আপনি যতো দ্রুত কাজ করতে পারবেন ততো দ্রুত ক্যাপচা পেয়ে যাবেন। এটা অনেক বড় একটা সুবিধা বলেই আমার কাছে মনে হয়। এছাড়াও এখানে কাজ করতে পারেন নিশ্চিন্তে। পেমেন্ট মিস হওয়ার কোনোই সম্ভবনা নেই।

ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রিতে আয়ের পরিমাণ

এটা যেহেতু আপনার দক্ষতা অর্থাৎ কী পরিমাণ কাজ করছেন তার উপর নির্ভর করে সুতরাং আপনি যতো কাজ করবেন সেই অনুযায়ী টাকা পাবেন। এখানে প্রতি ১০০০ হাজার ক্যাপচা এন্ট্রি করার জন্য মিনিমাম ০.৫০ ডলার এবং সর্বোচ্চ ১.৩৫ ডলার দিয়ে থাকে।

প্রোটাইপারসের অসুবিধা

কাজের মূল্য খুবই কম। অবশ্য সব ডাটা এন্ট্রির কাজই কম মূল্যের। পরিশ্রমের তুলনায় কাজের আউটপুট খুবই সামান্য। সুতরাং কাজ শুরু করার আগে আবারও ভেবে নিন।

শেষ কথা

যদি বিকল্প থাকে তাহলে ডাটা ক্যাপচা এন্ট্রির কাজ না করাই ভালো বলে মনে করি। তারপরও শুরু করার জন্য প্রোটাইপারস সেরা এ নিশ্চয়তা অবশ্য আপনাকে দেয়া যাচ্ছে।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। শিগগিরই আসছি নতুন টিউটোরিয়াল নিয়ে।

সহজ ডাটা এন্ট্রি কাজ করে সহজেই ইনকাম করা যায়

কেন এই লেখা?

শুরুতে বলেছি আমি ডাটা এন্ট্রি বা ক্যাপচা এন্ট্রি’র কাজ পছন্দ করি না। তারপরও কেন এই লেখা? এই লেখা শুধুমাত্র একটা কারণেই। অনেকেই অভিযোগ করেন তিনি অনলাইনে আয় করতে পারছেন না। ব্যর্থ হচ্ছেন। কাজ পাচ্ছেন না… ইত্যাদি ইত্যাদি। শুধুমাত্র তাদের কথা বিবেচনা করেই এই লেখার অবতারণা। অনলাইনে আমি যে কয়টি নির্ভরযোগ্য ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রির ওয়েবসাইট পেয়েছি তাদের মধ্যে প্রোটাইপারস আমার কাছে সেরা মনে হয়েছে। তাই জন্যই এটা নিয়ে লিখতে বসলাম।

ক্যাপচা এন্ট্রি কী?

এটা খুবই সিম্পল একটা কাজ। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লগিন করতে গেলে দেখবেন একটা কোড আসে যেটা পাশে বা উপরের বক্সে টাইপ করে লগিন বা রেজিস্ট্রার করতে হয়। সেইটাকে বলে ক্যাপচা। এখানে আপনি যখন কাজ শুরু করবেন তখন আপনাকে এই ধরণের কাজ করতে হবে। একটা একটা করে ক্যাপচা আসবে আর আমি দেখে দেখে শুধু টাইপ করবেন আর এন্টার চাপবেন।

প্রোটাইপারস কি?

প্রোটাইপারস হচ্ছে ক্যাপচা এন্ট্রি কাজের ক্ষেত্র। এখানে রেজিস্ট্রার করে আপনি ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে পারবেন। এদের ইন্টারফেস খুবই সুন্দর এবং সহজ। এখানে সাইনআপ করতে কোনো টাকা/পয়সা লাগে না। সম্পূর্ণ ফ্রি প্রোটাইপারস রেজিস্ট্রেশন।
>> প্রোটাইপারস ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন। <<
রেজিস্ট্রেশন করার সময় আপনাকে পেমেন্ট মেথড সিলেক্ট করে দিতে হবে। এটা পরে আর চেঞ্জ করা যায় না। সুতরাং ভাবনা-চিন্তা করে এটা সিলেক্ট করবেন।

কীভাবে প্রোটাইপারসে কাজ করবো?

protypers-captue-data-entry-work
খুবই সহজ। রেজিস্ট্রেশন কমপ্লিট হয়ে গেলে লগিন করুন। তারপর “Start Working” বাটনে ক্লিক করলে নতুন একটি পেজ ওপেন হবে। নিচের স্ক্রিনশটটি দেখুন। দেখলেই বুঝতে পারবেন। ইমেজ লেখার পাশের ইমেজটি নিচের টেক্সট বক্সে দেবেন এবং এন্টার চাপবেন। প্রতিটি ক্যাপচা এন্ট্রি করার জন্য ১৫ সেকেন্ড সময় পাবেন। তবে সাধারণত ৩-৫ সেকেন্ডেই হয়ে যায়। আপনি যদি আরও দ্রুত কাজ করতে চান তাহলেও এখানে ব্যবস্থা আছে। ওদের হাইস্পিড ওয়ার্ক বেটা সংস্করণ-এ ক্লিক করলে আরও দ্রুত ক্যাপচা পাবেন যদি আপনার নেট স্পীড ভালো হয়ে থাকে।

প্রোটাইপারস পেমেন্ট কীভাবে পাবো?

প্রোটা্পারস ৫ ধরণের পেমেন্ট মেথড সাপোর্ট করে। এতো বেশি পরিমাণ পেমেন্ট মেথড আর কোনো ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রি সাইটে আছে বলে আমার জানা নেই। অন্তত আমি যখন কাজ করতাম তখনতো ছিলোই না।
এগুলো হচ্ছে- পেপাল, ওয়েবমানি, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, পারফেক্ট মানি এবং পেয়যা (এলার্টপে)। প্রতিটি পেমেন্ট মেথড নিয়ে ভবিষ্যতে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছে আছে।
যাইহোক, আপনি এই ৫টা পেমেন্ট মেথডের যেকোনো একটা ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহেই টাকা উইথড্র করতে পারেন। মিনিমাম পেআউট মাত্র ১ ডলার।

প্রোটাইপারস-এর সুবিধা

ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রির সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এখানে খুব ধীর গতিতে ক্যাপচা আসে। ফলে এক হাজার এন্ট্রি করতে অনেক সময় লেগে যায়। কিন্তু প্রোটাইপারসে এই সমস্যা একেবারেই নেই। আপনি যতো দ্রুত কাজ করতে পারবেন ততো দ্রুত ক্যাপচা পেয়ে যাবেন। এটা অনেক বড় একটা সুবিধা বলেই আমার কাছে মনে হয়। এছাড়াও এখানে কাজ করতে পারেন নিশ্চিন্তে। পেমেন্ট মিস হওয়ার কোনোই সম্ভবনা নেই।

ক্যাপচা ডাটা এন্ট্রিতে আয়ের পরিমাণ

এটা যেহেতু আপনার দক্ষতা অর্থাৎ কী পরিমাণ কাজ করছেন তার উপর নির্ভর করে সুতরাং আপনি যতো কাজ করবেন সেই অনুযায়ী টাকা পাবেন। এখানে প্রতি ১০০০ হাজার ক্যাপচা এন্ট্রি করার জন্য মিনিমাম ০.৫০ ডলার এবং সর্বোচ্চ ১.৩৫ ডলার দিয়ে থাকে।

প্রোটাইপারসের অসুবিধা

কাজের মূল্য খুবই কম। অবশ্য সব ডাটা এন্ট্রির কাজই কম মূল্যের। পরিশ্রমের তুলনায় কাজের আউটপুট খুবই সামান্য। সুতরাং কাজ শুরু করার আগে আবারও ভেবে নিন।

শেষ কথা

যদি বিকল্প থাকে তাহলে ডাটা ক্যাপচা এন্ট্রির কাজ না করাই ভালো বলে মনে করি। তারপরও শুরু করার জন্য প্রোটাইপারস সেরা এ নিশ্চয়তা অবশ্য আপনাকে দেয়া যাচ্ছে।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। শিগগিরই আসছি নতুন টিউটোরিয়াল নিয়ে।